<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
     xmlns:admin="http://webns.net/mvcb/"
     xmlns:rdf="http://www.w3.org/1999/02/22-rdf-syntax-ns#"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
<channel>
    <title>Desh Barta News &amp; : মতামত</title>
    <link>https://uk.notunshomoy.com/rss/category/opinion</link>
    <description>Desh Barta News &amp; : মতামত</description>
    <dc:language>en</dc:language>
    <dc:creator></dc:creator>
    <dc:rights>Chairman Editorial Board: Emdad Ahmed | Editor: Nazmul Haq Shamal | Copyright © 2025 | All Rights Reserved by Notun Shomoy</dc:rights>
    <item>
        <title>মানবিকতা ও মূল্যবোধে গড়া প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাই আগামী প্রজন্মের টেকসই উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি</title>
        <link>https://uk.notunshomoy.com/521</link>
        <guid>https://uk.notunshomoy.com/521</guid>
        <description><![CDATA[ <p>শিক্ষা জাতির  মেরুদণ্ড—এই বাক্যটির তাৎপর্য  আমরা সকলেই জানি, এবং এর সাথে দ্বিমত করার সুযোগ নেই। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় এই চিরন্তন বাণীটি শুধু মুখস্থ করে রাখার জন্য নয়, বরং তার গভীরতা অনুধাবন করে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্হার আতুড়ঘর প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে, নতুন বন্দোবস্ত গ্রহণ করতে হবে। এখন  প্রশ্ন হলো, আমরা কেমন শিক্ষা চাই? কেবল পরীক্ষা-নির্ভর, পুঁথিগত বিদ্যায় পারদর্শী একজন মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষা ব্যবস্থা নাকি মানবিক মূল্যবোধে পরিপূর্ণ একজন সুস্থ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবার একটি শিক্ষা ব্যবস্থা।</p>
<p>দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, শিক্ষার হার বেড়েছে, প্রযুক্তির প্রসার দুর্বার গতিতে। কিন্তু এর পাশাপাশি আমরা দেখতে পাচ্ছি এক অদৃশ্য মানবিক সংকট। সমাজের প্রতিটি স্তরে, শিক্ষিত মানুষের ভিড়েও কোথাও যেন শূন্যতা—নৈতিকতার, সহানুভূতির, এবং দায়িত্ববোধের অভাব।</p>
<p>আজকের শিশুরা ছোট পরিবারে বড় হচ্ছে, তাদের হাতের মুঠোয় আধুনিক প্রযুক্তি ও তথ্যপ্রবাহ। কিন্তু এই প্রজন্মের অনেকের মাঝেই আমরা দেখতে পাচ্ছি আত্মকেন্দ্রিকতা, ধৈর্যহীনতা এবং সহানুভূতির অভাব।</p>
<p>শুধু ভালো ফলাফল  সাফল্যের মাপকাঠি হতে পারে না। একজন মানুষ কতটা মানবিক, সেটাই তার প্রকৃত শিক্ষার প্রতিফলন।</p>
<p>আমরা একটি শিশুর ভবিষ্যতের জন্য যতটা অর্থনৈতিক সঞ্চয়ের কথা ভাবি, ঠিক ততটাই কি ভাবি তার মূল্যবোধ গঠনের কথা? আমরা চাই তারা একজন ভালো মানুষ হয়ে উঠুক, যাদের মধ্যে থাকবে মমতা, সততা, ন্যায়বোধ ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা।তাই এই চাওয়া ও পাওয়ার সমন্বয় ঘটানোর লক্ষ্যে আমাদের চিন্তা চেতনায় পরিবর্তন আনার পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থায় নিয়ে আসতে হবে আমূল-পরিবর্তন। যে পরিবর্তনে সুশিক্ষা কেবল ফলাফলমুখী পাঠ্যবইয়ে জ্ঞান অর্জন নয় বরং সেখানে সুশিক্ষা মানে হবে এমন এক শিক্ষা, যা মানুষকে ভালোবাসতে শেখায়, সমাজকে সম্মান করতে শেখায়, এবং দেশকে আপন করে ভাবতে শেখায়।</p>
<p>আমাদের প্রয়োজন এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা:</p>
<p>যেখানে পাঠের সাথে থাকবে নৈতিকতা ও মানবিকতার শিক্ষা,<br>যেখানে শিশুরা শিখবে সহানুভূতি, সহনশীলতা ও দায়িত্ববোধ,<br>যেখানে পরীক্ষার নম্বরের পাশাপাশি মূল্যায়িত হবে মানবিক গুণাবলি।</p>
<p>আজকের শিশুরাই আগামী দিনের রাষ্ট্রপ্রধান, চিকিৎসক, শিক্ষক, বিজ্ঞানী বা সমাজের কাণ্ডারি। তাদের মধ্যে যদি মানবিক গুণ না থাকে, তবে শিক্ষার সমস্ত অর্জন অর্থহীন হয়ে পড়বে।</p>
<p>তাই এখন সময়—শুধু ভালো ফল নয়, ভালো মানুষ গড়ার শিক্ষা ব্যবস্থায় আমাদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া। পরিবার, বিদ্যালয়, সমাজ—সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে তুলতে হবে - মানবিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আর এই ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সুশিক্ষাই সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।</p> ]]></description>
        <enclosure url="http://uk.notunshomoy.com/uploads/images/202507/img_6889b9587e8cf3-41283467-89719149.gif" length="96223" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Wed, 30 Jul 2025 12:19:20 +0600</pubDate>
        <dc:creator>author</dc:creator>
        <media:keywords></media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>দুর্বল ব্যাংকগুলোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রশংসনীয় উদ্যোগ</title>
        <link>https://uk.notunshomoy.com/391</link>
        <guid>https://uk.notunshomoy.com/391</guid>
        <description><![CDATA[ <p>ব্যাংক মালিকদের অপরিসীম দুর্নীতি, ব্যবস্থাপনা কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের অদক্ষতা ও অপরিণামদর্শিতা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দন্তহীন নাবালকসুলভ আচরণ এবং ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা দেওয়া বিগত সরকারের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের দুর্নীতি-সাগরে সুখ-সন্তরণে সৃষ্ট ঢেউয়ের ধাক্কায় যে ছয়টি ব্যাংক বিগত কয়েক মাস থেকে আইসিইউতে ছিল, তাদের সুস্থ জীবনযাপনের ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গভর্নর সংবাদ সম্মেলন ডেকে বলেছেন, কোনো ব্যাংকে তারল্য সমস্যা হলে তাতে তারল্য সহায়তা প্রদান করে তারা পাশে থাকবেন। গ্রাহকরা তাদের চাহিদামতো যে কোনো অঙ্কের টাকা উঠাতে পারবেন। আর এই সুযোগ সৃষ্টি হবে তাৎক্ষণিকভাবেই।</p>
<p>এই সংবাদটি ছাপা হয়েছে দেশের প্রায় সব পত্রিকায়। আর এরই সুবাতাস বইতে শুরু করেছে ব্যাংক-গ্রাহকদের ভেতর এবং নড়বড়ে অর্থনীতিতে। ব্যাংক শব্দের অর্থ বিশ্বাস। মানুষ বিশ^াস করে ব্যাংকে টাকা রাখেন। সেই টাকা তারা যখন-তখন উঠাতে পারেন। নিজ পরিবারের সদস্যদের অনেকেই টাকার বিষয়ে বলতে ভয় পান, তাদের বিশ্বাস করেন না। কিন্তু ব্যাংক তাদের কাছে পরম বন্ধু, বিশ্বাস করে জীবনের সব সঞ্চয় জমা রাখেন ব্যাংকে।</p>
<p>পরম বিশ্বাসের এসব ব্যাংক মানুষের কাছে অবিশ^াসের প্রতিষ্ঠান হয়ে গেল। ব্যাংক মানুষের জমা রাখা টাকা দিতে পারছিল না। ঘটনাটি যে একদিনে হয়েছে তা নয়। দিনে দিনে তিলে তিলে ব্যাংকগুলোকে অসুস্থ করা হয়েছে। এক ব্যক্তির হাতে প্রায় অর্ধডজন ব্যাংক রাতের আঁধারে কীভাবে তুলে দেওয়া হয়েছে, কীভাবে একটি এলাকার মানুষকে সেসব ব্যাংকে রাতারাতি নিয়োগ দিয়ে অবাধে লুটপাট করা হয়েছে, বছরের যে কোনো দিবসের অছিলায় কার নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদানের নামে কোটি কোটি টাকা ব্যাংক থেকে সরিয়ে নিজের নেতৃত্বকে দৃঢ় করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয়ে বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদধারী কর্তৃক কীভাবে একটি ভালো ব্যাংককে ঝুঁকির মুখে ফেলা হয়েছে সেসব কথা সবারই জানা। কিন্তু তখন সৎ কর্মকর্তাদের মুখ খোলার কোনো উপায় ছিল না। আর কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সর্বোচ্চ পর্যায়ে বহাল হয়েছিলেন ‘জি আপা’ টাইপের কর্মকর্তারা। ফলে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে এবং নির্বিবাদে ব্যাংক লুট হয়েছে, টাকা পাচার হয়েছে।</p>
<p>সাবেক গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগদানের পর অজ্ঞাত কারণে ঋণখেলাপিদের জন্য সুবিধাজনক হতে পারে, এমন একটি সার্কুলার ইস্যু করেন। এটি ব্যাংকের যোগদানের প্রথম সপ্তাহেই ইস্যু করা হয়েছিল। এটা দেখে যে কোনো বোকা লোকও ধারণা করবে যে, ঋণখেলাপিদের সহযোগিতা করার মিশন নিয়েই তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকে এসেছিলেন। ব্যাংকগুলোর দুরবস্থার ওপর মলম হিসেবে তিনি ব্যাংক একীভূতকরণের ফর্মুলা বের করেছিলেন। এই ফর্মুলা প্রয়োগের ফলে ব্যাংকের আর্থিক স্বাস্থ্য জনসমক্ষে প্রকাশিত হয় এবং আমানতকারীরা দ্রুত তাদের আমানত উঠিয়ে নিতে শুরু করেন। আমানতকারীদের এই মানসিকতায় ঘি ঢেলে দেওয়া হয় যখন বর্তমান গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর রাখঢাকহীনভাবে জনসমক্ষে বলতে শুরু করেন যে, কয়েকটি ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার অবস্থায় পৌঁছে গেছে। অবশ্য এসব বক্তব্য বা ঘটনা আমানতকারীদের চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার ঘটনাকে ত্বরান্বিত করেছে মাত্র, এটা কিন্তু এসব ব্যাংকের জন্য অবধারিতই ছিল। গ্রামে একটা কথা প্রচলিত আছে যে, ‘বেড়ায় যদি ক্ষেত খেয়ে ফেলে তা হলে সেটি রক্ষা করা যায় না’, ব্যাংকের ছিল সেই দশা। তাদের রক্ষাকারীরাই ছিল ভক্ষণকারী।</p>
<p>আগস্টে বিগত সরকারের পতনের পর দেশের সর্বত্র ব্যাংকের আমানতকারীরা প্রতিদিন ব্যাংকে হাজিরা দিয়েছেন। তারল্য সংকটে পড়া ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের চেকের বিপরীতে ৫ হাজার টাকার বেশি পরিশোধ করতে পারেনি। গ্রামে কোনো কোনো ব্যাংক থেকে তিন দিন ঘুরে ৫ বা ১০ হাজার টাকা উঠাতে পেরেছেন গ্রাহকরা।</p>
<p>আমি ২ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে আমাদের সময় পত্রিকার উপসম্পাদকীয় কলামে ‘গ্রাহকের টাকা দিতে না পারা ব্যাংক এবং এদের রক্ষার উপায়’ নামে একটি কলাম লিখেছিলাম। এতে আলোচ্য ব্যাংকগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা ধার প্রদান করার প্রস্তাবসহ মোট সাতটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেছিলাম। তখন ঋণ প্রদানের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক যাতে এসব বিপদে পড়া ব্যাংকগুলোকে নগদ ঋণ সহায়তা প্রদান করে সে প্রস্তাবটি ছিল।</p>
<p>জনগণের হতাশা যখন তুঙ্গে তখন বাংলাদেশ ব্যাংক তারল্য সাপোর্ট প্রদানসংক্রান্ত নতুন ইতিবাচক একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে যে, তারা দুর্বল ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় তারল্য সাপোর্ট প্রদান করবে। এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলেই হতাশ আমানতকারীদের মনে আশার বাতাস বইতে শুরু করেছে। সবার মনে একটি ভরসা জন্মেছে যে, তারা ব্যাংকে জমা রাখা টাকা ফেরত পেতে যাচ্ছেন। ব্যাংকের কর্মকর্তারাও বাংলাদেশ ব্যাংকের বক্তব্যে আশ^স্ত হয়েছেন, সাহসী হয়েছেন। এখন দেখা যাবে, এসব ব্যাংক থেকে খুব বেশি গ্রাহক টাকা উঠাবেন না। কারণ ব্যাংকের সঙ্গে অনেকেরই একটা সুসম্পর্ক জড়িয়ে থাকে, ভালোবাসা জড়িয়ে থাকে। আর এভাবেই ব্যাংকগুলো আবার সচ্ছল অবস্থায় ফিরে আসবে, গ্রাহকের আস্থা নিয়ে দৈনন্দিন কাজ চালাতে পারবে।</p>
<p>আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিপণন খাতের গবেষকরা বাজারে তিন ধরনের গ্রাহক বা ক্রেতা দেখতে পান। এরা হলেন কুকুরমনা ক্রেতা, বিড়ালমনা ক্রেতা এবং কাঠবিড়ালিমনা ক্রেতা। কুকুরমনা ক্রেতারা কুকুরের মতোই প্রভুভক্ত। প্রভু যেখানে যান, তার পিছু পিছু কুকুরও সেখানেই যায়। গ্রাহক বা ক্রেতার ক্ষেত্রেও এ ধরনের কুকুরমনা গ্রাহক বা ক্রেতা দেখা যায়। একজন টেইলার মাস্টার যদি এলাকা ছেড়ে দশ মাইল দূরে অন্য দোকানে চলে যান তা হলে তার কাস্টমার কাপড়-জামা তৈরি করার জন্য দশ মাইল দূরের দোকানেই যাবে। ব্যাংকের বেলায়ও দেখা যায়, একজন কর্মকর্তা বা ব্যাংক ম্যানেজার যদি চাকরি ছেড়ে অন্য ব্যাংকে চলে যান তা হলে কাস্টমারও টাকা-পয়সা গুটিয়ে নিয়ে ম্যানেজারের নতুন ব্যাংকে চলে যান।</p>
<p>বিড়ালমনা কাস্টমাররা বিড়ালের মতোই অলস এবং আরামপ্রিয়। তারা চুপচাপ নরম বিছানায় শুয়ে থাকতেই ভালোবাসেন। এরা বাসার ঠিক পাশের ভবনের নিচতলার দোকান থেকে বাজার করবেন, সেই দোকানের মালামাল খারাপ হলে বা দাম বেশি নিলেও তিনি সেই দোকানেই যাবেন। ব্যাংকের গ্রাহকের বেলায়ও একই কথা খাটে। কিছু কিছু কাস্টমার নিজ অফিস বা বাসা থেকে কম দূরত্বে অবস্থিত ব্যাংক শাখায় হিসাব পরিচালনা করেন। এসব ব্যাংকে সুদ বা মুনাফার হার কম হলেও বা ব্যাংকটি দেউলিয়া হওয়ার আশঙ্কা সম্পন্ন হলেও এরা সামান্য দূরের অন্য ব্যাংকে যেতে চান না।</p>
<p>সবশেষে রয়েছে কাঠবিড়ালিমনা কাস্টমার। কাঠবিড়ালি যেমন বনের ভেতর এখানে-ওখানে উঁকি দেয়, সারাক্ষণ ঘুরঘুর করে, এ গাছে ও গাছে ঘুরে বেড়ায় এবং খুঁজে খুঁজে বাছাই করে তার খাবার নির্বাচন করে ঠিক সেভাবেই কাঠবিড়ালিমনা ক্রেতারা বাজারে গিয়ে এ-দোকান ও-দোকানে ঘুরঘুর করে, এটা-ওটা টিপে-শুঁকে-ঘষে বারবার দেখে, দাম যাচাই করে এবং ব্যাপক দরাদরি করে পণ্য কিনে থাকেন। ব্যাংকে হিসাব খুলতে, স্থায়ী আমানত রাখতে বা ডিপিএস করতে গিয়ে এসব গ্রাহকরা এ-ব্যাংক ও-ব্যাংকে ঘোরাঘুরি করে, সুদ বা মুনাফার হার জেনে বা দরাদরি করে বাড়ানোর চেষ্টা করে, ব্যাংক এবং এর কর্মকর্তাদের সম্পর্কে ভালো করে খোঁজখবর নিয়ে এরা ব্যাংকে হিসাব খোলেন।</p>
<p>ব্যাংকে বা অন্য কোনো খাতে টাকা জমা রাখা বা বিনিয়োগের সময় অবশ্যই গ্রাহককে ব্যাংক সম্পর্কে জেনে-বুঝেই হিসাব খোলা উচিত বা টাকা রাখা উচিত। মনে রাখতে হবে যে, বিনিয়োগ করা টাকা ঝুঁকির মুখে পড়লে কেউ সহযোগিতা নাও করতে পারে। সে টাকা চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে। এর আগে মাল্টি লেভেল মার্কেটিং প্রতিষ্ঠান যুবক, ইউনিপে টু ইউ এবং ডেসটিনিতে বিনিয়োগ করে অনেকেই নিঃস্ব হয়েছেন। অনেকগুলো আর্থিক প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন থেকেই গ্রাহকের টাকা দিতে পারছে না। তাই ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, এনজিও বা মাল্টি লেভেল মার্কেটিং প্রতিষ্ঠান যাই হোক না কেন, টাকা বিনিয়োগের সম্পূর্ণ দায় বা ঝুঁকি কিন্তু গ্রাহকের। আর একটি কথা এ প্রসঙ্গে বিবেচনাযোগ্য যে, একই ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলোর ভেতর কোনোটি অস্বাভাবিক বেশি পরিমাণে সুদ বা লাভ দেবে বলে ঘোষণা দিলে সঙ্গত কারণেই ধরে নিতে হবে যে, প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক সংকটে আছে এবং ঝুঁকির মুখে আছে। নিজের টাকা বিনিয়োগের দায়িত্ব পুরোপুরিই নিজের।</p>
<p>মাহফুজুর রহমান : সাবেক নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক</p> ]]></description>
        <enclosure url="http://uk.notunshomoy.com/uploads/images/202412/image_870x580_6751b3f69a462.webp" length="13494" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 05 Dec 2024 20:09:05 +0600</pubDate>
        <dc:creator>author</dc:creator>
        <media:keywords></media:keywords>
    </item>
    </channel>
</rss>