<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
     xmlns:admin="http://webns.net/mvcb/"
     xmlns:rdf="http://www.w3.org/1999/02/22-rdf-syntax-ns#"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
<channel>
    <title>Desh Barta News &amp; : জীবনযাপন</title>
    <link>https://uk.notunshomoy.com/rss/category/lifestyle</link>
    <description>Desh Barta News &amp; : জীবনযাপন</description>
    <dc:language>en</dc:language>
    <dc:creator></dc:creator>
    <dc:rights>Chairman Editorial Board: Emdad Ahmed | Editor: Nazmul Haq Shamal | Copyright © 2025 | All Rights Reserved by Notun Shomoy</dc:rights>
    <item>
        <title>এক দশকে দীপ্ত, দেখানো হবে শাকিব খানের ‘তুফান’</title>
        <link>https://uk.notunshomoy.com/1429</link>
        <guid>https://uk.notunshomoy.com/1429</guid>
        <description><![CDATA[ <p></p>
<p>১০ বছর পূর্ণ করল দীপ্ত টেলিভিশন। ‘আলোয় ভুবন ভরা’ স্লোগানকে ধারণ করে ২০১৫ সালের ১৮ নভেম্বর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছিল চ্যানেলটি। ‘পালকী’, ‘অপরাজিতা’, ‘খুঁজে ফিরি তাকে’র মতো দেশি ধারাবাহিক নাটকের সঙ্গে বিদেশি ড্রামা সিরিজ ‘সুলতান সুলেমান দিয়ে আলোচনায় আসে দীপ্ত টেলিভিশন।</p>
<p>একে একে তারা নিজস্ব স্টুডিও, সেট ও জনবল নিয়ে নির্মাণ করে ‘ভালোবাসার আলো আঁধার’, ‘মধ্যবর্তিনী, ‘খলনায়ক, ‘মান অভিমান ও ‘মাশরাফি জুনিয়র’–এর মতো দর্শকপ্রিয় দেশি ধারাবাহিক নাটক। অন্যদিকে নিজস্ব অনুবাদক টিম, কণ্ঠাভিনয়শিল্পীদের মাধ্যমে ডাব করা বিদেশি সিরিজ ‘বাহার’, ‘ফেরিয়া’, ‘জননী জন্মভূমি’, ‘সুলতান সুলেমান’, ‘কোসেম’ ও ‘রহস্যময়ী’ হয়ে ওঠে দর্শকনন্দিত। বর্তমানে সম্প্রচারিত ‘খুশবু’, ‘রূপনগর’, গুড ডক্টর’–এর মতো ড্রামা সিরিজগুলোও দর্শকপ্রিয় হয়ে উঠেছে।</p>
<p>দীপ্ত টিভির ১০ বছর পূর্তিতে আজ সকাল ৮টায় ‘দীপ্ত প্রভাতী’র সরাসরি গানের অনুষ্ঠানে থাকছেন শিল্পী অণিমা রায়। ইন্দ্রাণী নিশির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করবেন গৌরব সরকার। এ ছাড়া সকাল ১০টা ১৭ মিনিটে দেখানো হবে শাকিব খান অভিনীত বাংলা সিনেমা ‘তুফান’।</p> ]]></description>
        <enclosure url="http://uk.notunshomoy.com/uploads/images/202511/image_870x580_691bf769c3ca2.webp" length="27046" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Tue, 18 Nov 2025 10:35:10 +0600</pubDate>
        <dc:creator>author</dc:creator>
        <media:keywords></media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>পাকা তালের যত উপকার</title>
        <link>https://uk.notunshomoy.com/574</link>
        <guid>https://uk.notunshomoy.com/574</guid>
        <description><![CDATA[ <p>তাল এমন একটি ফল, যা কচি অবস্থায় শাঁস হিসেবে এবং পাকলে রস বের করে খাওয়া যায়। আবার এর বীজ দীর্ঘদিন মাটিতে রেখে দেওয়ার পর তা থেকে পাওয়া শাঁসও খাওয়া যায়। এই এক ফলই বিভিন্নভাবে খাওয়া যায়। এ ছাড়া তালের রস দিয়ে পিঠা, পায়েস, কেক কিংবা পুডিং খেতেও ভীষণ মজা।</p>
<p>এই ফলের রয়েছে নানা স্বাস্থ্যগুণ। অনন্য ও সুস্বাদু পাকা তালে রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি, জিংক, পটাসিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়াম। এ ছাড়া রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরির মতো প্রয়োজনীয় উপাদান।</p>
<p>পুষ্টিবিদদের মতে, ১০০ গ্রাম পাকা তালে রয়েছে ৮৭ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি, ৭৭.৫ গ্রাম জলীয় অংশ, ০.৮ গ্রাম আমিষ, ০.১ গ্রাম চর্বি, ১০.৯ গ্রাম শর্করা, ১ গ্রাম খাদ্য আঁশ, ২৭ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৩০ মিলিগ্রাম ফসফরাস, ১ মিলিগ্রাম আয়রন, ০.০৪ মিলিগ্রাম থায়ামিন, ০.০২ মিলিগ্রাম রিবোফ্লাভিন, ০.৩ মিলিগ্রাম নিয়াসিন ও ৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি।</p>
<p>তাই অনেক রোগেরই মহৌষধ হিসেবে কাজ করতে পারে এই পাকা তাল।</p>
<p>বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকা তালের রসের ভিটামিন বি কমপ্লেক্স শরীরে ভিটামিন বির ঘাটতি পূরণ করে। এতে থাকা ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস দাঁত ও হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধ করে।</p>
<p>যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য, অন্ত্রের রোগ বা কৃমির সমস্যা আছে, তারা এই মৌসুমে তাল খাওয়ার অভ্যাস করুন।</p>
<p>যারা প্রায়ই বুক ধড়ফড় করার সমস্যায় ভোগেন, তারা দুধের সঙ্গে চার চামচ তালের রস মিশিয়ে সকালে ও বিকেলে খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। সপ্তাহে এভাবে তিন দিন খেতে হবে।</p>
<p>একই পদ্ধতিতে তাল খাওয়ার অভ্যাসে পুরুষত্বহীনতায় উপকার পাওয়া যায়। বমি ভাব দূর করতেও এভাবে পাকা তাল খেতে পারেন। এ ছাড়া যদি পুরনো কোনো কাশি কোনোভাবেই পিছু না ছাড়ে, তবে একই পদ্ধতিতে তাল খেয়ে উপকার পাবেন।</p>
<p>তাল খাওয়ার সবচেয়ে ভালো সুফল হলো, এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদানটির ক্যান্সার প্রতিরোধ করার ক্ষমতা রয়েছে। পাশাপাশি ভুলে যাওয়ার প্রবণতা থেকে মুক্তি দিতে স্মৃতিশক্তিকে বেশ প্রখর করে তুলতে পারে।</p>
<p>অনেক সময় ভালো ঘুম হয় না। তার ওপর মাঝে মাঝে বুক ধড়ফড়ও করে। সে ক্ষেত্রে তালের রস খাওয়া যেতে পারে। তালের রস দ্রুত কার্যকর টনিক হিসেবে কাজ করে। আমাদের দেশে প্রাচীনকাল থেকে রোগীদের দ্রুত সেরে ওঠার জন্য তালের রস খাওয়ানো হয়। প্রচণ্ড ক্লান্তিতে এক গ্লাস তালের রস খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে দেখুন এর জাদু।</p>
<p>গরমের সময় অনেকেই মূত্রত্যাগজনিত সমস্যায় ভোগেন। টানা কয়েক দিন তালের রস পান করলে এই ঝামেলা মিটবে অনেকটাই। তবে অতিরিক্ত কোনো জিনিসই ভালো নয়, তাই অতিরিক্ত তাল খাওয়া থেকেও বিরত থাকতে হবে। নয়তো ভালোর পরিবর্তে খারাপ হতে সময় লাগবে না।</p> ]]></description>
        <enclosure url="http://uk.notunshomoy.com/uploads/images/202507/image_870x580_688b6c00bc624.webp" length="34450" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 31 Jul 2025 19:13:55 +0600</pubDate>
        <dc:creator>author</dc:creator>
        <media:keywords></media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>পেট ফাঁপা থেকে মুক্তি পেতে কী খাবেন</title>
        <link>https://uk.notunshomoy.com/567</link>
        <guid>https://uk.notunshomoy.com/567</guid>
        <description><![CDATA[ <p>বর্ষার সময়ে পেট ফাঁপা সমস্যা একটু বেশিই দেখা দেয়। এক্ষেত্রে আপনাকে সহায়তা করতে পারে পরিচিত কিছু খাবার।  সেইসঙ্গে বাদ দিতে হবে ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত মসলাদার ও অস্বাস্থ্যকর সব ধরনের খাবার। </p>
<p>চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক, বর্ষায় কোন খাবারগুলো আপনাকে পেট ফাঁপার সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে-</p>
<p>১. শসা</p>
<p>৯৫% পানি সমৃদ্ধ শসা অতিরিক্ত সোডিয়াম বের করে দিতে সাহায্য করে এবং শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে। এতে কোয়ারসেটিনও রয়েছে। কোয়ারসেটিন একটি ফ্ল্যাভোনয়েড যার প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি পাচনতন্ত্রকে শান্ত করতে কাজ করে।</p>
<p>২. আনারস</p>
<p>গ্রীষ্মের এই ফলে ব্রোমেলেন রয়েছে।  এটি একটি এনজাইম, যা প্রোটিন ভেঙে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এটি হালকা, সতেজ এবং হজমে সহায়তা করে। তাই পেট ফাঁপা কমাতে নিয়মিত আনারস খেতে পারেন।</p>
<p>৩. দই</p>
<p>দই অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে করে। এতে ল্যাকটোব্যাসিলাস এবং বিফিডোব্যাকটেরিয়াম রয়েছে যা অন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। প্রোবায়োটিক দই গ্যাস কমাতে এবং হজম উন্নত করতে কাজ করে।</p>
<p>৪. আদা</p>
<p>প্রাকৃতিক কার্মিনেটিভ হিসেবে ব্যবহৃত আদা গ্যাস গঠন কমায় এবং গ্যাস্ট্রিক খালি করতে সহায়তা করে। এটি অন্ত্রের পরিবহনও উন্নত করে। আদাকে আপনার দৈনন্দিন খাবার তালিকায় যোগ করে নিন। এতে পেট ফাঁপার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সহজ হবে।</p>
<p>৫. পুদিনা পাতা</p>
<p>পুদিনা মেন্থল সমৃদ্ধ, যা অন্ত্রের পেশী শিথিল করে এবং পেট ফাঁপা দূর করে। বেশ কয়েকটি ক্লিনিকাল গবেষণায় দেখা গেছে যে, এটি আইবিএস-সম্পর্কিত লক্ষণযুক্ত ব্যক্তিদের জন্য সহায়ক। তাই নিয়মিত পুদিনা পাতা বা এর চা খাওয়ার অভ্যাস করুন।</p> ]]></description>
        <enclosure url="http://uk.notunshomoy.com/uploads/images/202507/image_870x580_688b57a0ee115.webp" length="15242" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 31 Jul 2025 17:47:05 +0600</pubDate>
        <dc:creator>author</dc:creator>
        <media:keywords></media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>সকালে ঘুম থেকে উঠে যে কাজগুলো করবেন না: সুস্থ দিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টিপস</title>
        <link>https://uk.notunshomoy.com/563</link>
        <guid>https://uk.notunshomoy.com/563</guid>
        <description><![CDATA[ <p>সকাল হলো দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়, যা আমাদের পুরো দিনের মেজাজ এবং কর্মক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। ঘুম থেকে ওঠার পরপরই কিছু ভুল অভ্যাস আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে। সুস্থ ও উৎপাদনশীল দিনের জন্য ঘুম থেকে উঠে কিছু কাজ এড়িয়ে চলা উচিত।</p>
<p>সকালে ঘুম থেকে উঠে যে কাজগুলো করবেন না:<br>১. মোবাইল ফোন চেক করা:</p>
<p>অ্যালার্ম বাজার সাথে সাথে মোবাইল ফোন হাতে নেওয়া বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম চেক করা একটি সাধারণ অভ্যাস। কিন্তু এটি আমাদের মস্তিষ্ককে শুরুতেই অতিরিক্ত তথ্য দিয়ে ভারাক্রান্ত করে তোলে, যা উদ্বেগ বাড়ায় এবং দিনের শুরুতেই অপ্রয়োজনীয় মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। এতে ফোকাস নষ্ট হয় এবং দিনের পরিকল্পনা বিঘ্নিত হতে পারে।</p>
<p>২. 'Snooze' বাটন ব্যবহার করা:</p>
<p>অ্যালার্মের 'Snooze' বাটন ব্যবহার করে বারবার ঘুমানোর চেষ্টা করলে আপনার ঘুমের চক্র ব্যাহত হয়। এটি আপনাকে আরও ক্লান্ত এবং ঝিমুনি অনুভব করাতে পারে, কারণ মস্তিষ্ক প্রতিটি নতুন ঘুমের চক্রে গভীরভাবে প্রবেশ করতে পারে না। ফলে 'স্লিপ ইনার্শিয়া' বা ঘুম জড়তা তৈরি হয়, যা সারাদিন অলস অনুভব করায়।</p>
<p>৩. আলো-বাতাসহীন ঘরে থাকা:</p>
<p>সকালে ঘুম থেকে উঠেই প্রাকৃতিক আলোতে আসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্ধকার বা স্বল্প আলোতে থাকলে শরীরের মেলাটোনিন হরমোন উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে, যা আপনাকে আরও ঘুম ঘুম ভাব এনে দেয়। পর্যাপ্ত আলো দিনের শুরুতেই শরীরকে সজাগ করে তোলে এবং সার্কাডিয়ান রিদম (ঘুম-জাগরণ চক্র) ঠিক রাখতে সাহায্য করে।</p>
<p>৪. কফি পান করা (খালি পেটে):</p>
<p>অনেকে ঘুম থেকে উঠেই কফি পান করেন। তবে খালি পেটে কফি পান করলে পেটে অ্যাসিড তৈরি হতে পারে, যা বদহজম, বুক জ্বালাপোড়া বা গ্যাস্ট্রিকের কারণ হতে পারে। কফি কর্টিসল হরমোনের মাত্রাও বাড়িয়ে দিতে পারে, যা দিনের শুরুতেই স্ট্রেস বৃদ্ধি করে। কফি পানের আগে এক গ্লাস পানি বা হালকা নাস্তা করা ভালো।</p>
<p>৫. সকাল ব্রেকফাস্ট বাদ দেওয়া:</p>
<p>সকালের নাস্তা দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার। এটি বাদ দিলে শরীরের মেটাবলিজম ধীর হয়ে যায় এবং সারাদিন শক্তির অভাব অনুভব হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সকালের নাস্তা বাদ দেন, তাদের ওজন বাড়ার ঝুঁকি বেশি থাকে এবং মনোযোগও কমে যায়।</p>
<p>৬. তাড়াহুড়ো করা বা দিনের পরিকল্পনা না করা:</p>
<p>ঘুম থেকে উঠেই তাড়াহুড়ো করে কাজ শুরু করলে মানসিক চাপ বাড়ে এবং ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সকালের কিছু সময় শান্তভাবে কাটানো এবং দিনের কাজগুলো পরিকল্পনা করে নিলে তা সারাদিনের জন্য মানসিক প্রস্তুতি তৈরি করে।</p>
<p>৭. শরীরে টান না দেওয়া বা স্ট্রেচিং না করা:</p>
<p>ঘুমের পর পেশীগুলো শক্ত হয়ে থাকে। সকালে ঘুম থেকে উঠে বিছানায় বা মেঝেতে হালকা স্ট্রেচিং করলে রক্ত ​​সঞ্চালন বাড়ে, পেশী শিথিল হয় এবং শরীর সতেজ অনুভব করে। এটি দিনের কাজ শুরু করার জন্য শরীরকে প্রস্তুত করে তোলে।</p>
<p>সুস্থ দিনের জন্য কিছু ভালো অভ্যাস:<br>ঘুম থেকে উঠেই এক গ্লাস পানি পান করুন।</p>
<p>হালকা স্ট্রেচিং বা যোগব্যায়াম করুন।</p>
<p>প্রাকৃতিক আলোতে আসুন।</p>
<p>একটি স্বাস্থ্যকর সকালের নাস্তা গ্রহণ করুন।</p>
<p>দিনের কাজগুলো পরিকল্পনা করুন।</p>
<p>এই সহজ অভ্যাসগুলো অনুসরণ করে আপনি আপনার দিনের শুরুটা আরও ভালোভাবে করতে পারবেন এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে পারবেন।</p> ]]></description>
        <enclosure url="http://uk.notunshomoy.com/uploads/images/202507/image_870x580_688b211aba66b.webp" length="15958" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 31 Jul 2025 13:54:21 +0600</pubDate>
        <dc:creator>author</dc:creator>
        <media:keywords></media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>শিশুর গ্রীষ্মকালীন সমস্যায় বাবা&amp;মায়ের করণীয়</title>
        <link>https://uk.notunshomoy.com/561</link>
        <guid>https://uk.notunshomoy.com/561</guid>
        <description><![CDATA[ <p>গরমকালে শিশুরা নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যায় পড়ে। কারণ তাদের শরীর বয়স্কদের মতো দ্রুত তাপমাত্রা পরিবর্তন এবং পানিশূন্যতার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে না। গরমে শিশুর কিছু সাধারণ স্বাস্থ্যগত সমস্যা এবং তা প্রতিকারে বাবা-মা যেসব ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন তা হলো</p>
<p>সাধারণ স্বাস্থ্যগত সমস্যা : গ্রীষ্মে শিশু যে ধরনের সমস্যায় পড়ে তা হলো</p>
<p>পানিশূন্যতা : গরমকালে ঘামের মাধ্যমে শিশুর শরীর থেকে প্রচুর পানি বের হয়ে যায়। যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান না করলে এই সময় দেখা দিতে পারে পানিশূন্যতা। এর লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে শুকনো মুখ, কম প্রস্রাব, গাঢ় রঙের প্রস্রাব, খিটখিটে মেজাজ ও দুর্বলতা। মারাত্মক পানিশূন্যতা বিপজ্জনক হতে পারে।</p>
<p>জ্বর : গরমের কারণে বা অন্য কোনো সংক্রমণের কারণে শিশুদের জ্বর হতে পারে। গরমে ভাইরাসের সংক্রমণও বাড়ে।</p>
<p>পেটের সমস্যা : গরমে খাদ্যে বিষক্রিয়া বা সংক্রমণের কারণে ডায়রিয়া, বমি বা পেটে ব্যথা হতে পারে।</p>
<p>ত্বকের সমস্যা : এই সময় ঘামাচি, অ্যালার্জি বা অন্যান্য ত্বকের সংক্রমণ গরমে শিশুদের মধ্যে দেখা যায়।</p>
<p>সর্দি ও কাশি : অতিরিক্ত গরমের কারণে বা হঠাৎ তাপমাত্রার পরিবর্তনের ফলে সর্দি ও কাশি হতে পারে।</p>
<p>হিট স্ট্রোক : অতিরিক্ত গরমে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে হিট স্ট্রোক হতে পারে, যা একটি জরুরি অবস্থা। এর লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে খুব বেশি মাত্রার জ্বর, দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস, দ্রুত হৃদস্পন্দন, ত্বক লালচে ও শুকনো হয়ে যাওয়া ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়া। এসব লক্ষণ দেখা দিলে শিশুর প্রতি আরও বেশি যত্নশীল হতে হবে।</p>
<p>প্রতিকার ও যত্ন : এসব সমস্যা সমাধানে যা করতে হবে তা হলো</p>
<p>পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করানো : শিশুদের নিয়মিতভাবে পানি পান করানো, শরবত, ডাবের পানি বা অন্যান্য তরল খাবার দিন। ৬ মাসের কম বয়সী শিশুকে ঘন ঘন বুকের দুধ পান করানো উচিত।</p>
<p>সহজপাচ্য খাবার : গরমে শিশুদের হালকা ও সহজে হজমযোগ্য খাবার দিন। ভাজাভুজি ও মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। তাজা ফল ও সবজি তাদের খাদ্যতালিকায় যোগ করুন।</p>
<p>আরামদায়ক পোশাক : শিশুদের হালকা, ঢিলেঢালা এবং সুতির পোশাক পরাবেন, যা বাতাস চলাচল করতে সাহায্য করে।</p>
<p>পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা : শিশুকে নিয়মিত গোসল করান। তাদের শরীর পরিষ্কার রাখুন। ঘামাচি এড়াতে দিনে কয়েকবার নরম কাপড় দিয়ে শরীর মুছে দিন।</p>
<p>ঠাণ্ডা ও বাতাস চলাচল করা ঘরে রাখা : শিশুদের সরাসরি রোদ থেকে দূরে রাখুন এবং তাদের ঠান্ডা ও বাতাস চলাচল করা ঘরে রাখার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে পাখা বা এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। এসির তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখা ভালো।</p>
<p>বাইরে খেলাধুলা সীমিত করা : দিনের বেলায় যখন তাপমাত্রা বেশি থাকে তখন শিশুদের বাইরে খেলাধুলা করতে দেবেন না। সকালের ঠান্ডা আবহাওয়া বা সন্ধ্যার পরে খেলাধুলার জন্য উপযুক্ত সময়।</p>
<p>সানস্ক্রিন ব্যবহার : বাইরে বের হওয়ার আগে শিশুদের ত্বকে সানস্ক্রিন লাগান।</p>
<p>জরুরি অবস্থায় দ্রুত চিকিৎসা : যদি শিশুর মধ্যে পানিশূন্যতা, হিট স্ট্রোক বা অন্য কোনো গুরুতর লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। গরমকালে শিশুদের স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। সঠিক যত্ন ও সতর্কতা অবলম্বন করে তাদের সুস্থ রাখা সম্ভব।</p> ]]></description>
        <enclosure url="http://uk.notunshomoy.com/uploads/images/202507/image_870x580_688b1e4ebdb1d.webp" length="20914" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 31 Jul 2025 13:42:19 +0600</pubDate>
        <dc:creator>author</dc:creator>
        <media:keywords></media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>ভাত বা রুটি খাওয়ার আগে কেন সালাদ খাওয়া উচিত?</title>
        <link>https://uk.notunshomoy.com/560</link>
        <guid>https://uk.notunshomoy.com/560</guid>
        <description><![CDATA[ <p>খাবার হিসেবে কেউ ভাত খেয়ে থাকেন, কেউ আবার রুটি খান। যেটিই খাওয়া হোক না কেন, এতে প্রায় সবাই সালাদ রাখেন। সেই সালাদ খাওয়া হয় খাবার খাওয়ার সময় বা পরবর্তীতে। কিন্তু জানেন কী, খাবার খাওয়ার আগে সালাদ খাওয়া উচিত। সালাদ স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী।</p>
<p>সাধারণত সালাদ খাওয়া হলে ওজন নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়, হজমশক্তি উন্নত হয় এবং শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সহায়তা করে এটি। আবার এতে থাকা ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। পাশাপাশি ত্বককে স্বাস্থ্যকর রাখে।</p>
<p>সালাদের রকমারি উপকারিতা থাকলেও এটি খাবার খাওয়ার আগে খাওয়ার ব্যাপারে সবাই হয়তো জানেন না। এ ব্যাপারে সালাদ খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।</p>
<p>কখন সালাদ খাবেন:</p>
<p>সালাদ যেকোনো সময় খাওয়া যেতে পারে। কিছু মানুষের ধারণা, সালাদ সন্ধ্যার আগে খাওয়া উচিত এবং সন্ধ্যার পরে না খাওয়াই ভালো। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আপনি যদি খাবারে ভাত বা রুটি রাখেন, তাহলে খাওয়ার আগে সালাদ খাওয়া ভালো।</p>
<p>কেন ভাত-রুটির আগে সালাদ:</p>
<p>রুটি বা ভাতের আগে সালাদ খাওয়া হলে খাবারে ফাইবার যোগ হয় এবং ফাইবার আপনার রক্ত প্রবাহে চিনি যোগ হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। অর্থাৎ, খাওয়ার পরে সুগারের মাত্রা কম হবে এবং আপনি শক্তি অনুভব করবেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি একটি ছোট পরিবর্তন হলেও অনেক পার্থক্য তৈরি করে।</p>
<p>সালাদ খাওয়ার উপায়:</p>
<p>খাবার খাওয়ার অন্তত ২০ মিনিট আগে সালাদ চিবিয়ে চিবিয়ে খেতে হবে। এভাবে সালাদ খাওয়া হলে আপনার ক্রেভিং হবে না এবং বারবার কিছু খেতেও ইচ্ছা করবে না। আর সালাদে রকমারি সবজি যোগ করতে পারেন।</p> ]]></description>
        <enclosure url="http://uk.notunshomoy.com/uploads/images/202507/image_870x580_688b1ddc6f717.webp" length="37398" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 31 Jul 2025 13:40:34 +0600</pubDate>
        <dc:creator>author</dc:creator>
        <media:keywords></media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>রসুন দিয়ে চুলের খুশকি ও রুক্ষতা দূর করার ৫ উপায়</title>
        <link>https://uk.notunshomoy.com/507</link>
        <guid>https://uk.notunshomoy.com/507</guid>
        <description><![CDATA[ <p>খুশকির সমস্যা দেখা যায় অনেকেরই। মাথার ত্বকে শুষ্কতা বাড়ে, স্ক্যাল্পে চুলকানি, সংক্রমণ ও চুল পড়ার মতো সমস্যা শুরু হয়। খুশকি উপেক্ষা করলে তা দীর্ঘমেয়াদে চুলের ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। বাজারে নানা ধরনের অ্যান্টি-ড্যান্ড্রাফ শ্যাম্পু থাকলেও সেগুলো সবসময় স্থায়ী সমাধান দিতে পারে না।</p>
<p>এমন অবস্থায় ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি অনেক সময় দারুণ কাজে দেয়। আর সেসবের মধ্যে অন্যতম কার্যকর একটি উপাদান হলো রসুন।<br>রসুনে রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহবিরোধী উপাদান, যা খুশকির বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা গড়ে তোলে। তবে সরাসরি রসুন ব্যবহার করলে চুলের গোড়ায় জ্বালাভাব হতে পারে, তাই অন্যান্য উপাদানের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করাই সবচেয়ে ভালো।</p>
<p>চলুন, জেনে নিই রসুন দিয়ে কিভাবে তৈরি করবেন খুশকি দূর করার ঘরোয়া হেয়ার প্যাক।<br>রসুন তেল ও জলপাই তেল<br>২ চামচ রসুন তেল, ৫ চামচ জলপাই তেল। এই দুই উপাদান ভালোভাবে মিশিয়ে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। ২০ মিনিট অপেক্ষা করে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।</p>
<p>এটি খুশকি কমাতে এবং স্ক্যাল্প নরম রাখতে সাহায্য করে।<br>রসুন তেল ও নারিকেল তেল<br>২ চামচ রসুন তেল, ৪ চামচ নারকেল তেল। এই মিশ্রণ হালকা গরম করে স্ক্যাল্পে লাগান। ২০ মিনিট রেখে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। এটি মাথার ত্বকে সংক্রমণ কমাতে ও রুক্ষতা দূর করতে সাহায্য করে।</p>
<p>রসুনের পাউডার ও দই<br>২ চা চামচ রসুনের পাউডার, ৫ চামচ টক দই, সামান্য পানি। প্রথমে স্ক্যাল্পে নারিকেল তেল ম্যাসাজ করুন। এরপর এই মিশ্রণটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন। তারপর শ্যাম্পু করে নিন। এই প্যাকটি স্ক্যাল্প পরিষ্কার করে ও চুলে উজ্জ্বলতা আনে।</p>
<p>রসুন ও অ্যালোভেরা জেল<br>২ চা চামচ রসুনের রস, ৪ চামচ অ্যালোভেরা জেল। ভালোভাবে মিশিয়ে স্ক্যাল্পে লাগান। শাওয়ার ক্যাপ পরে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করুন। এটি ত্বকে শীতলতা এনে প্রদাহ ও খুশকি কমায়।</p>
<p>রসুন তেল, মধু ও লেবুর রস<br>২ চামচ রসুন তেল, ১ চামচ মধু, ২ চামচ লেবুর রস। এই তিনটি উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে স্ক্যাল্পে লাগান। শাওয়ার ক্যাপ পরে ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করুন। এই মিশ্রণটি খুশকি কমানোর পাশাপাশি স্ক্যাল্প পরিষ্কার করে এবং চুলে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আনে।</p>
<p>টিপস:</p>
<p>এই প্যাকগুলো সপ্তাহে ১–২ বার ব্যবহার করতে পারেন।</p>
<p>ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট করে নিন, যদি ত্বক সংবেদনশীল হয়।</p>
<p>ভালো মানের প্রাকৃতিক তেল ও উপাদান ব্যবহার করাই সবচেয়ে উপকারী।</p> ]]></description>
        <enclosure url="http://uk.notunshomoy.com/uploads/images/202507/image_870x580_6887605179d91.webp" length="48356" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Mon, 28 Jul 2025 17:35:18 +0600</pubDate>
        <dc:creator>author</dc:creator>
        <media:keywords></media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>প্রতিদিনের খাবারে একটি ফল কতটা জরুরি?</title>
        <link>https://uk.notunshomoy.com/506</link>
        <guid>https://uk.notunshomoy.com/506</guid>
        <description><![CDATA[ <p>সুস্থ থাকতে চাইলে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অন্তত একটি ফল রাখা জরুরি। মৌসুম অনুযায়ী যেসব ফল সহজলভ্য, সেগুলোই খাওয়া সবচেয়ে ভালো। আপেল, কলা, পেয়ারা, বেদানা, জাম, শসা, লেবুজাতীয় ফল—এসব প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। আপনি চাইলে ফ্রুট সালাদ, ফ্রুট কাস্টার্ড বা হেলদি হালকা খাবার হিসেবে ফল খেতে পারেন।</p>
<p>চলুন, জেনে নিই প্রতিদিন একটা ফল খেলে শরীরে কী উপকার হয়।</p>
<p>অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে<br>ফলে থাকা ডায়েটারি ফাইবার হজমশক্তি বাড়ায় এবং অন্ত্র পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। বদহজম, গ্যাস, অ্যাসিডিটির সমস্যা কমে।</p>
<p>দেহে পানি ধরে রাখে<br>রসালো ফল যেমন কমলা, তরমুজ বা শসা শরীর হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে।</p>
<p>গরমের দিনে পানিশূন্যতা রোধে এগুলো অত্যন্ত কার্যকর।</p>
<p>ক্রনিক রোগ প্রতিরোধে সহায়ক<br>প্রতিদিন একটি ফল খাওয়ার অভ্যাস ব্লাড সুগার, রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। ফলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি অসুখ থেকে রক্ষা করে।</p>
<p>শরীরকে ডিটক্সিফাই করে<br>ফলের প্রাকৃতিক উপাদান শরীরের টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে, ফলে শরীর ভেতর থেকে পরিশ্রুত থাকে।</p>
<p>ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী<br>ফলের ভিটামিন ও খনিজ ত্বকের জেল্লা বাড়ায় ও চুল রাখে স্বাস্থ্যবান। যারা প্রাকৃতিকভাবে সৌন্দর্য বজায় রাখতে চান, তাদের জন্য ফল একটি আদর্শ পছন্দ।</p>
<p>সতর্কতা<br>ডায়াবেটিস : যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাদের ক্ষেত্রে ফল বাছাইয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কোন ফল খাবেন, তা ঠিক করুন।</p>
<p>পেটের সমস্যা : কারো যদি পেটের সংবেদনশীলতা বেশি থাকে, তবে অতিরিক্ত ফল খেলে সমস্যা বাড়তে পারে।</p>
<p>সে ক্ষেত্রেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।</p>
<p>আপেলের বাড়তি উপকারিতা<br>প্রতিদিন একটি আপেল, চিকিৎসক দূরে রাখে—এই প্রবাদ অমূলক নয়। আপেল হার্টের স্বাস্থ্য রক্ষায় সাহায্য করে, রক্তচাপ ও খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এতে থাকা ফাইবার দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক।</p> ]]></description>
        <enclosure url="http://uk.notunshomoy.com/uploads/images/202507/image_870x580_68875f6a7b5a2.webp" length="43314" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Mon, 28 Jul 2025 17:31:48 +0600</pubDate>
        <dc:creator>author</dc:creator>
        <media:keywords></media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>চোখ সাজানোর আগে যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন</title>
        <link>https://uk.notunshomoy.com/420</link>
        <guid>https://uk.notunshomoy.com/420</guid>
        <description><![CDATA[ <p>চোখ মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের অন্যতম। এটি খুব সংবেদনশীল। তাই এর বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। চোখের পাতার বেশ কিছু পরিচিত সমস্যা হলো চোখের অঞ্জনি, চোখের পাপড়ি ও পাতার প্রদাহ। অনেক সময় ভেজাল বা মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধন সামগ্রী ব্যবহারের কারণে এমনটা হতে পারে। তাই এসব ব্যবহারে সচেতন হতে হবে।</p>
<p>এ বিষয়ে ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. মামুনুর রশীদ চৌধুরী নিজের লেখা এক প্রতিবেদন প্রথম আলো সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।</p>
<p>ডা. মামুনুর রশীদ চৌধুরী বলেছেন, চোখের আর্দ্রতা বজায় রাখার জন্য চোখের পাতায় অনেক গ্রন্থি থাকে, যা মেবোমিয়ান গ্ল্যান্ড নামে পরিচিত। এই গ্রন্থি কিছু তৈলাক্ত পদার্থ নিঃসরণ করে, যা চোখের আর্দ্রভাব ধরে রাখে। মেকআপসামগ্রী ব্যবহারের ফলে অনেক সময় এসব মেবোমিয়ান গ্রন্থির মুখ বন্ধ হয়ে চোখে শুষ্কতা দেখা দেয়। আর চোখ শুষ্ক হলে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসজনিত সংক্রমণের আশঙ্কা বেড়ে যায়।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, চোখে আইশ্যাডো ও গ্লিটারজাতীয় প্রসাধনীর ক্ষুদ্র কণা থেকে অনেক সময় চোখের অ্যালার্জি বা পানি পড়া রোগ হতে পারে। কন্ট্যাক্ট লেন্স ব্যবহার করার সময় সাবধানতা অবলম্বন না করলে চোখের মণিতে ইনফেকশন হতে পারে অথবা মণির ওপরের স্তর উঠে যেতে পারে। তাই চোখের সুরক্ষা বজায় রেখে প্রসাধনী ব্যবহার করার কিছু নিয়মও মেনে চলতে এই চিকিৎসক বলেছেন। চলুন সেসব কী কী জেনে নেওয়া যাক—</p>
<p>১. প্রসাধনসামগ্রীর মেয়াদ ঠিক আছে কি না, দেখে নিন।</p>
<p>২. মেকআপসামগ্রী শুষ্ক স্থানে রাখুন। ভেজা ও স্যাঁতসেঁতে জায়গায় রাখলে মেকআপসামগ্রীতে ব্যবহৃত প্রিজারভেটিভ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, জীবাণুর সংক্রমণ ঘটে।</p>
<p>৩. একজনের ব্যবহৃত প্রসাধনী অন্যজন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।</p>
<p>৪. কন্ট্যাক্ট লেন্স ও প্রসাধনী ব্যবহারের আগে হাত ভালোভাবে ধুয়ে নিন।</p>
<p>৫. মেকআপের পাশাপাশি কন্ট্যাক্ট লেন্স ব্যবহারের প্রয়োজন হলে আগে কন্ট্যাক্ট লেন্স পরে নিন, তারপর প্রসাধন ব্যবহার করুন।</p>
<p>৬. কোনো অবস্থায় চোখে কন্ট্যাক্ট লেন্স ও মেকআপ নিয়ে ঘুমাতে যাবেন না।</p>
<p>৭. চোখ লাল বা অন্য কোনো রোগ থাকা অবস্থায় মেকআপ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। এতে রোগ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। অ্যালার্জি থাকলেও এ ধরনের প্রসাধন ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধান।</p>
<p>এসব ছাড়াও ডা. মামুনুর রশীদ চৌধুরী আরও বলেছেন, চোখে কোনো নতুন প্রসাধন ব্যবহারের আগে সেটি হাতে লাগিয়ে নিতে পারেন। তারপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। কোনো প্রতিক্রিয়া না হলে এবার চোখে ব্যবহার করতে পারেন। যেকোনো প্রসাধনী ব্যবহার করা মাত্রই চোখ চুলকালে, লাল হলে, ফুলে গেলে, চোখ দিয়ে ক্রমাগত পানি পড়লে বা অন্য কোনো উপসর্গ দেখা দিলে তৎক্ষণাৎ সেটি ব্যবহার বন্ধ করে দিন। প্রয়োজনে চক্ষুবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।</p> ]]></description>
        <enclosure url="http://uk.notunshomoy.com/uploads/images/202502/image_870x580_67bd760419c66.webp" length="18172" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Tue, 25 Feb 2025 13:49:36 +0600</pubDate>
        <dc:creator>editor</dc:creator>
        <media:keywords></media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>দাম্পত্য জীবন সুখের হয় যেসব অভ্যাসে</title>
        <link>https://uk.notunshomoy.com/419</link>
        <guid>https://uk.notunshomoy.com/419</guid>
        <description><![CDATA[ <p>বিয়ে হলো একটি সামাজিক বন্ধন। যার মাধ্যমে দু'জন মানুষের মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্ক স্থাপিত হয়। সুখী-সুন্দর সৌহার্দ্যপূর্ণ দাম্পত্য জীবন আমাদের সকলেরই কাম্য। বিয়ের মধ্য দিয়ে দু’টি মানুষের একসঙ্গে পথচলার শুরু। আর সেই চলার পথে একে অপরের প্রতি ভালোবাসা, যত্ন, বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধার প্রয়োজন। আর বিয়ে মানেই জীবনের নতুন চ্যালেঞ্জ, যা থেকে পালিয়ে বেড়ালে হবে না। বরং তার মুখোমুখি হয়ে জীবনকে সুন্দর করতে হবে। আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন যে, কেন কিছু দম্পতি বছরের পর বছর সুখী জীবন পার করতে পারে। যেখানে অনেক দম্পতিই ব্যর্থ হয়ে যায়? আসলে বিয়ের পরে অনেকেই সঙ্গীকে আলাদা করে গুরুত্ব দিতে ভুলে যায়। সেখান থেকেই শুরু হয় সমস্যা। চলুন সুখী দম্পতিরা কেন সুখী হয় সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক-</p>
<p>সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রথম শর্ত পারস্পরিক ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস। সঙ্গীকে তার যোগ্য সম্মান প্রদান করা। তার প্রতি আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়া। ভালোবাসার প্রতিদানে প্রত্যাশা কম রাখা। ভালোবাসার মানুষের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং পছন্দে অনধিকার চর্চা না করা। কিন্তু, ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে হস্তক্ষেপ না করার মতো উদারতা খুব কম মানুষেরই থাকে। তবে, সম্পর্ক ভালো রাখতে এমন হওয়াই উচিত।</p>
<p>সুখী দম্পতিরা সব সময় একে অপরকে প্রথমে রাখে এবং একটি দল হিসাবে একসঙ্গে কাজ করে। তারা তাদের পরিবারের কাছে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে না বা জীবনের সব সিদ্ধান্ত নিতে তাদের পরিবারের দ্বারা প্রভাবিত হয় না। একে অপরের সঙ্গে স্পষ্টভাবে কথা বলে। তারা সব বিষয়ে পরিবারকে ডেকে আনে না। দুই পরিবারের কাছে নিজেদের কিছু গোপনীয়তা বজায় রাখে। কারণ তারা দু’জন মিলে গঠন করেন একটি নতুন পরিবার।</p>
<p>দম্পতিরা শুধু একে অপরকে ভালোবাসে না, খুব ভালো বোঝেও। সুখী দম্পতিরা একে অপরের সেরা বন্ধু এবং তারা তাদের সঙ্গকে সত্যিকারের ভালোবাসে। কাজ করা থেকে শুরু করে একসঙ্গে কোয়ালিটি টাইম কাটানো পর্যন্ত- তাদের জীবনের লক্ষ্য এবং মতামত একই রকম। তাদের এই সম্পর্ক বন্ধুত্বের শক্ত ভিত্তির ওপর ভরসা করে টিকে থাকে।</p>
<p>অনেকেই বলে থাকেন যে, কঠিন সময়ে সঙ্গী চেনা যায়। এসময় হয় সম্পর্ক ভেঙে যায়, নয়তো কাছাকাছি নিয়ে আসে। আর তাই, যে দম্পতিরা দীর্ঘস্থায়ী দাম্পত্য জীবনে টিকে আছেন, তারা সঙ্গী হিসেবে একসঙ্গে অনেক দুঃখের সময় পাড়ি দিয়ে এসেছে। এই কঠিন সময়গুলোই তাদের একে অপরের কাছাকাছি এনেছে এবং তাদের সংযোগকে আরও গভীর এবং শক্তিশালী করেছে।</p>
<p>আমরা মানুষ এবং আমাদের ভুলত্রুটি থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। সুখী দম্পতিরা তাদের সঙ্গীর ছোটখাটো ভুল এবং ত্রুটি এড়িয়ে যায়। এর পরিবর্তে তারা তাদের ছোট-বড় গুণগুলোকে সামনে আনতে পছন্দ করে। সঙ্গীকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করার পরিবর্তে তাদের মতো করে গ্রহণ করে। তারা শুধু ভালোবাসে না, একজন ব্যক্তি হিসেবে সঙ্গীকে সম্মান করে।</p>
<p>যেকোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রে মতবিরোধ থাকাটা স্বাভাবিক। যেহেতু তারা দুটো ভিন্ন মানুষ, তাদের মতের অমিল থাকতেই পারে। যাদের দীর্ঘ বৈবাহিক জীবন, তাদের মাঝেও ঝগড়া হয়। তবে তারা ভুলভাল বিষয় নিয়ে ঝগড়া করে না। তারা একে অন্যকে ভালোবাসে বলেই প্রত্যাশাটাও বেশি থাকে। একসঙ্গে থাকতে চায় বলেই ভুলগুলো শুধরে সামনে এগিয়ে যেতে চায়।</p> ]]></description>
        <enclosure url="http://uk.notunshomoy.com/uploads/images/202502/image_870x580_67bd73ee2be12.webp" length="21600" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Tue, 25 Feb 2025 13:40:41 +0600</pubDate>
        <dc:creator>editor</dc:creator>
        <media:keywords></media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>ত্বক ও চুলের যত্নে আমলকির জাদু</title>
        <link>https://uk.notunshomoy.com/418</link>
        <guid>https://uk.notunshomoy.com/418</guid>
        <description><![CDATA[ <p>আমলকী প্রকৃতির এক অনন্য উপাদান, যা ত্বক ও চুলের যত্নে যুগ যুগ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এই ফলটি ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ, যা ত্বক ও চুলের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কেমিক্যালযুক্ত প্রসাধনীর বিকল্প হিসেবে ন্যাচারাল পণ্যের জনপ্রিয়তা বাড়ছে, আর সেখানেই আমলকির স্থান হয়ে উঠছে গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>আমলকী ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে। এটি ত্বকের কালো দাগ কমায়, বলিরেখা প্রতিরোধ করে এবং ব্রণ ও ত্বকের সংক্রমণ দূর করতে কার্যকর। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বাজারজাত করা আমলকী ফেসওয়াশ, ক্লিনজার, ফেসপ্যাক, অ্যান্টি-এজিং সিরাম, ব্রাইটেনিং ক্রিম ও সানস্ক্রিন নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হয়ে ওঠে আরও উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত।</p>
<p>শুধু ত্বক নয়, চুলের যত্নেও আমলকী বিশেষ ভূমিকা রাখে। এটি চুলের গোড়া মজবুত করে, চুল পড়া কমায়, খুশকি দূর করে এবং অকালপক্কতা প্রতিরোধ করে। বর্তমানে বাজারে আমলকী হেয়ার অয়েল, অ্যান্টি-ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু, হেয়ার গ্রোথ সেরাম, ন্যাচারাল কন্ডিশনার ও হেয়ার মিস্ট পাওয়া যাচ্ছে, যা নিয়মিত ব্যবহারে চুলকে করে তোলে স্বাস্থ্যকর ও সুন্দর।</p>
<p>আমলকী ব্র্যান্ডের পণ্যগুলো সম্পূর্ণ ন্যাচারাল ও কেমিক্যালমুক্ত, যা ত্বক ও চুলের জন্য নিরাপদ। এই ব্র্যান্ডের প্রধান লক্ষ্য হলো—নির্ভরযোগ্য গুণগতমান নিশ্চিত করা, ন্যাচারাল উপাদান ব্যবহার করা এবং দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যকর সৌন্দর্য ধরে রাখা। নির্বাচিত হারবাল এক্সট্র্যাক্ট, ভেষজ তেল ও অর্গানিক উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি এই পণ্যগুলো সংবেদনশীল ত্বকের জন্যও উপযোগী।</p>
<p>প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ধরে রাখতে অনেকেই এখন ন্যাচারাল পণ্যের দিকে ঝুঁকছেন। উদ্যোক্তা নন্দিতা শারমিনও বর্তমানে আমলকী ও অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহার বাড়িয়ে আরও উন্নত ন্যাচারাল পণ্য তৈরিতে কাজ করছেন। স্কিন ব্রাইটেনিং সিরাম, অ্যান্টি-এজিং ফেস ক্রিম, হেয়ার গ্রোথ সেরাম, লিপ বাম, বডি বাটার ও হ্যান্ড ক্রিম-এর মতো নতুন পণ্য তৈরির পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক বাজারে ন্যাচারাল পণ্য প্রসারের উদ্যোগ নিচ্ছেন। প্রাকৃতিক যত্নকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও সহজলভ্য করতে তার গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা অব্যাহত রয়েছে।</p> ]]></description>
        <enclosure url="http://uk.notunshomoy.com/uploads/images/202502/image_870x580_67bd7399acc99.webp" length="11180" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Tue, 25 Feb 2025 13:39:23 +0600</pubDate>
        <dc:creator>editor</dc:creator>
        <media:keywords></media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>শীতের শুরুতেই গোড়ালির ফাটলরোধে ঘরোয়া উপায়</title>
        <link>https://uk.notunshomoy.com/385</link>
        <guid>https://uk.notunshomoy.com/385</guid>
        <description><![CDATA[ <p>আবহাওয়ায় এখন হালকা শীত শীত ভাব। এই সময়ে ফাটা ঠোঁট আর ফাটা গোঁড়ালির সমস্যায় নাজেহাল হন অনেকেই। কর্মব্যস্ত জীবনে সব সময়ে পার্লারে গিয়ে পায়ের পরিচর্চার করার সময় হয় না। অথচ বাড়িতেই মিনিট পাঁচেক খরচ করলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। জেনে নিন পায়ের ফাটা দাগ দূর করার ঘরোয়া টোটকা।</p>
<p><strong>পেট্রোলিয়াম জেলি:</strong> ঠোঁট হোক বা গোড়ালি, শীতকালে ত্বকের যত্নে দুর্দান্ত কাজ দেয় পেট্রোলিয়াম জেলি। প্রতিদিন গোড়ালিতে পেট্রোলিয়াম জেলি মাখলে পা ফাটার সমস্যা এড়াতে পারবেন। তবে অবশ্যই রাতে শোয়ার আগে এটি মাখুন। আর পরের দিন সকালে ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। না হলে গোড়ালিতে নোংরা জমে হিতে বিপরীত হয়ে যাবে।</p>
<p>মাউথওয়াশ: ১ ভাগ মাউথওয়াশের সঙ্গে ২ ভাগ জল মিশিয়ে নিন। এর মধ্যে পা ডুবিয়ে রাখুন। মাউথওয়াশ পায়ে থাকা সমস্ত জীবাণু পরিষ্কার করে দেয়। পাশাপাশি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে।</p>
<p><strong>নারকেল তেল:</strong> নারকেল তেল ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বকে আর্দ্রতা জোগায়। নিয়মিত ত্বকে নারকেল তেল মাখলে চামড়া শুকিয়ে যায় না। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে পায়ের তলায় নারকেল তেল মালিশ করুন। টানা কয়েক সপ্তাহ পায়ে নারকেল তেল মালিশ করলে পা ফাটার সমস্যা সহজেই এড়াতে পারবেন। সঙ্গে পায়ের গোড়ালিও হবে ঝকঝকে।</p>
<p>মধু: পা ফাটার সমস্যা দূর করতে মধুকেও কাজে লাগাতে পারেন। মধু ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। মধুর মধ্যে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে, যা ফাটা গোড়ালিকে সংক্রমণের হাত থেকেও রক্ষা করে।</p>
<p>কলার খোসা: ফাটা গোড়ালির উপর কলার খোসা ঘষতে পারে। এছাড়া কলার মেখে নিয়ে ফাটা অংশের উপর লাগাতে পারেন। ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। কলা গুণেও পায়ের চামড়া ভালো থাকবে।</p> ]]></description>
        <enclosure url="http://uk.notunshomoy.com/uploads/images/202412/image_870x580_6751a8daedc55.webp" length="9658" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 05 Dec 2024 19:21:43 +0600</pubDate>
        <dc:creator>author</dc:creator>
        <media:keywords></media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>শীতে জুতো পরলে মোজায় গন্ধ, সমাধানে রইল টিপস</title>
        <link>https://uk.notunshomoy.com/384</link>
        <guid>https://uk.notunshomoy.com/384</guid>
        <description><![CDATA[ <p>ঋতু পরিবর্তনের পালাবদলে দেশে নেমেছে শীত। আর এই সময় মোজা দিয়ে জুতা পরায় অনেকের পায়েই দুর্গন্ধ হয়। সাধারণত দীর্ঘক্ষণ মোজা পরে থাকার কারণে পায়ে দুর্গন্ধ হয়। শীতে পা ঘামার বড় কারণ পা ঢাকা জুতা পরা। তবে শুধু ঘামের জন্যই যে দুর্গন্ধ হয়, তা নয়। পায়ে দুর্গন্ধ হওয়াকে বলা হয় ব্রোমোডোসিস।</p>
<p><br>১) শীতকালেও অনেকের পা ঘেমে যায়। তাই পায়ের যত্ন নিন সবার আগে। প্রতিদিন রাতে বাড়ি ফিরে উষ্ণ পানিতে লবণ ফেলে পা ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ভালো করে মুছে নিয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।</p>
<p>২) প্রতিদিন মোজা ধুয়ে নিন। পারলে ডেটল পানি ব্যবহার করুন, কিংবা একাধিক মোজা কিনে মাঝে মধ্যে বদলে নিন। দেখবেন এতে সমস্যা মিটবে।</p>
<p>৩) ভুলেও গন্ধ মোজায় পারফিউম স্প্রে করবেন না। এতে সমস্যা আরও বাড়তে পারে।</p>
<p>শীতে জুতো পরলে মোজায় গন্ধ, সমাধানে রইল টিপস</p>
<p>৪) মোজা পরার আগে ভালো করে পা ধুয়ে নিন। একটু বেকিং সোডা হাতে নিয়ে ভালো করে পায়ে ঘষে নিন। দেখবেন এতে সমস্যা দূর হবে।</p>
<p>৫) বাড়িতে ফিরে জুতার মধ্যে কিছুটা পরিমাণ কাগজ ঢুকিয়ে রাখুন। এতে জুতার মধ্যে হওয়া দুর্গন্ধ দূর হবে।</p>
<p>৬) সপ্তাহে একবার জুতা রোদে দিন। এতে জুতাও ভালো থাকবে এবং দুর্গন্ধও হবে না। প্রয়োজনে জুতার মধ্যে ন্যাপথোলিন রাখতে পারেন।</p> ]]></description>
        <enclosure url="http://uk.notunshomoy.com/uploads/images/202412/image_870x580_6751a8030d2c9.webp" length="104316" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 05 Dec 2024 19:18:07 +0600</pubDate>
        <dc:creator>author</dc:creator>
        <media:keywords></media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>টোনার ব্যবহারের আগে দূর করুন ভুল ধারণাগুলো</title>
        <link>https://uk.notunshomoy.com/383</link>
        <guid>https://uk.notunshomoy.com/383</guid>
        <description><![CDATA[ <p>ক্লিনজিং, টোনিং, ময়েশ্চারাইজিং—ত্বকের যত্নের প্রধান সূত্র। এ সূত্র মানলেই পাওয়া যায় স্বাস্থ্যোজ্জ্বল সুন্দর ত্বক। আর ত্বকে টোনার ব্যবহারে আপনার হারানো ঔজ্জ্বল্য যেমন ফেরে তেমনই আবার ত্বককে করে তোলে আরও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। তবে বেশির ভাগ সময় দেখা যায়, টোনার সম্পর্কে ভুল ধারণা রয়েছে অনেকেরই। অথচ এ টোনিংই সুস্থ, মসৃণ, টান টান ত্বকের চাবিকাঠি।</p>
<p>টোনিং সম্পর্কে সঠিক তথ্য জেনে ত্বকচর্চার রুটিনে বন্ধু করে নিন টোনারকে:<br>আপনি কী বিশ্বাস করেন ক্নিনজারের বিকল্প হিসাবে টোনার ব্যবহার করা যায়? এই ধারণা থাকলে তা আজই বদলের সময় এসেছে। কারণ বিশেষজ্ঞদের দাবি, মুখ ভালো করে পরিষ্কারের পরেও আপনার ত্বকে থাকা ব্যাকটেরিয়া, বাড়তি তেল, মৃত কোষকে পরিষ্কার করতে টোনার কাজে লাগে। তবে তা কখনই ক্লিনজারের বিকল্প হতে পারে না।</p>
<p>অনেকেই ভাবেন স্পর্শকাতর ত্বকে টোনার ব্যবহার করা উচিত নয়। এই ভাবনা বদলের সময় এসেছে। কারণ, একাধিক সংস্থা বিভিন্ন রকমের ত্বকের চরিত্র অনুযায়ী টোনার বাজারে এনেছে। শুধু আপনাকে ত্বকের চরিত্র অনুযায়ী তা বেঝে নিতে হবে।</p>
<p>স্ক্রাবারের পরিবর্তে শুধুমাত্র টোনার ব্যবহারেই ত্বকের মৃত কোষের বিড়ম্বনার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব বলেই ধারণা রয়েছে অনেকের। তবে এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। হয়তো আপনার ত্বককে সামান্য ঔজ্জ্বল্য ফেরাতে সাহায্য করতে পারে টোনার। তবে তা কখনই পুরো মাত্রায় আপনার ত্বককে মৃত কোষমুক্ত করতে পারে না।</p>
<p>অনেকেই মনে হয় টোনার ব্যবহারের ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। আপনি কী জানেন এই ধারণা একেবারেই ঠিক নয়। কারণ, সব ধরনের টোনারে থাকা উপাদান একইরকম হয় না। তার ফলে এক একটি টোনার আলাদা আলাদা কাজ করে। তাই আপনি কীরকম টোনার কিনছেন তার উপরেই তৈলাক্ত কিংবা শুষ্কতা নির্ভর করে।</p>
<p>ত্বকে থাকা ব্রণ কিংবা কালো দাগ তুলতে পারে না টোনার। তবে আপনার অতিরিক্ত তৈলাক্ত ত্বক হলে তা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে টোনার। তার ফলে ব্রণর সমস্যা থেকে সামান্য মুক্তি মিলতে পারে।</p>
<p>টোনার ব্যবহারের সময় কিছু দিকে নজর দেওয়া জরুরি:</p>
<p>ত্বকে পানি লাগানোর পরপরই টোনার লাগাতে হবে।<br>টোনার লাগানোর জন্য তুলার প্যাড বা মিস্ট বোতল ব্যবহার করুন।<br>টোনার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলবেন না। পাঁচ থেকে সাত মিনিট অপেক্ষা করে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে ফেলুন। তাহলে যে উদ্দেশ্যে টোনার লাগানো, সেটা পূরণ হবে।</p> ]]></description>
        <enclosure url="http://uk.notunshomoy.com/uploads/images/202412/image_870x580_6751a6d59b558.webp" length="12232" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 05 Dec 2024 19:13:20 +0600</pubDate>
        <dc:creator>author</dc:creator>
        <media:keywords></media:keywords>
    </item>
    </channel>
</rss>